আগরতলায় ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশন অফিসে হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠনের কর্মীরা ঢুকে আসবাব ভাঙচুর করে, পতাকা নামিয়ে এনে অমর্যাদা করে। এই ঘটনায় দিল্লি দ্রুত দুঃখপ্রকাশ করে বিবৃতি দেয়।
সীমান্তের ওপারে আখাউড়া। সেখানে ‘লং মার্চ’ আসার কথা ছিল। এ পারে আগরতলায় তখন সতর্ক প্রহরা।
সীমান্ত এলাকায় ছিল উত্তেজনা। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কঠোর করেছিল প্রশাসন। তবে খালেদা জিয়ার দল বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠনের ‘ঢাকা টু আগরতলা লং মার্চ’ আখাউড়া চেক পোস্টের প্রায় এক কিলোমিটার আগেই আটকে দিল বাংলাদেশ প্রশাসন। এর পরে আখাউড়ার স্থলবন্দর সংলগ্ন মাঠে সমাবেশ করে ফিরে যান হাজার পাঁচেক গাড়িতে চড়ে আসা জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল, জাতীয়তাবাদী যুব দল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা। আবার এ দিনই সুপ্রিম কোর্টের এক বর্ষীয়ান আইনজীবী চট্টগ্রাম নগর দায়রা আদালতে সংখ্যালঘু সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের জামিনের আবেদনের শুনানি এগিয়ে আনার আবেদন করলে বিএনপি-জামায়াতের আইনজীবীদের চাপে শুনানি করতে পারেননি বিচারক। পরে আবেদন খারিজ করে দেন তিনি। সেই আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষের অভিযোগ, আদালত কক্ষেই হেনস্থা ও ধাক্কাধাক্কি করা হয়েছে তাঁকে।